অনলাইন শপিং: ৬ উপায়ে আপনার অর্থ হাতিয়ে নিতে পারে হ্যাকাররা

অনলাইন শপিং নিরাপত্তা

বেশ সময় হয়েছে অনলাইনে শপিং দারুণ জনপ্রিয় হয়েছে। বিশেষ করে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডে অনলাইন থেকে কেনার হার বেড়েছে অনেক বেশি। অনলাইন ব্যাংকিং বা বিল পেমেন্ট বা অন্যান্য সেবা নেওয়ার আগ্রহ বাড়ছে মানুষের। বিশেষ করে অনলাইন শপিংয়ের দিকে ঝুঁকেছেন মানুষ। সেই সঙ্গে সক্রিয় হয়ে উঠেছে সাইবার অপরাধীরা। হ্যাকাররা অনলাইন ক্রেতাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করেন। বিশেষজ্ঞ জানাচ্ছেন, সাধারণত ৬ উপায়ে অনলাইন থেকে আপনার পয়সা চুরি করতে পারে হ্যাকাররা।

১. ফার্মিং : এ পদ্ধতিতে হ্যাকাররা ক্রেতাদের একটি ভুয়া ওয়েবসাইটে নিয়ে যায়। এর জন্য পণ্য বিক্রির বিভিন্ন ভুয়া ওয়েবসাইট বানিয়ে রাখে তারা। আবার অনেক পরিচিত ওয়েবসাইটের মতোই দেখতে আরেকটি ওয়েবসাইট তৈরি করে তারা। এতে নিঃসন্দেহে পণ্যের অর্ডার করেন ক্রেতারা। পেমেন্ট করে ফেললে তো অর্থ গেলোই। সেইসঙ্গে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের যাবতীয় তথ্য তাদের হাতে চলে যায়।

২. কিস্ট্রোক লগিং : আপনার ক্রি স্ট্রোকগুলো শনাক্ত করে ফেলে এমন একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে অপরাধীরা। নিজের অজান্তেই ইন্টারনেট থেকে সেই সফটওয়্যার ডাউনলোড করেন আপনি। সেখানে আপনার পাসওয়ার্ড বা পনি নম্বর বা অন্যান্য তথ্য চুরি হয়ে যায়। ওরা হাতিয়ে নিতে পারে আপনার কার্ডের পয়সা।

৩. ম্যালওয়্যার : তথ্য চুরির বিভিন্ন সফটওয়্যার এগুলো। এর মাধ্যমে এটিএম বা ব্যাংকের সার্ভারের সিস্টেম নষ্ট করা যায়। ফলে যেকোনো ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি করে অর্থ হাতিয়ে নিতে পারে তারা।

৪. ফিশিং এবং ভিশিং : অনলাইন থেকে আপনার পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য চুরির সিস্টেম এটি। স্পাম মেইলের মাধ্যমে কারো তথ্য চুরির পদ্ধতি হলো ফিশিং। আর মোবাইলে মেসেজিং বা এসএমএস এর মাধ্যমে তথ্য চুরির পদ্ধতিকে বলা হয় ভিশিং। এর মাধ্যমে পাসওয়ার্ড, কার্ডের পিন নম্বর ইত্যাদি চুরি করা হয়।

৫. সিম সুইপ ফ্রড : অপরাধীরা আপনার মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভুয়া পরিচয়ে ডুপ্লিকেট নম্বর তুলে নেয়। এরপর আপনার আসল নম্বর বন্ধ করে দেয় অপারেটর। ফোন থেকে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) জেনারেট করে অর্থের লেনদেন করতে পারে হ্যাকাররা।

৬. অনিরাপদ অ্যাপ : পরিচিত ও নামী মোবাইল অ্যাপ স্টোর ছাড়া অন্য কোথাও থেকে অ্যাপ কিনলে বিপদ ঘটতে পারে। সেখানে এমন অ্যাপ থাকে যা ডাউনলোড করলেই আপনার পাসওয়ার্ডসহ অন্যান্য তথ্য চলে যাবে হ্যাকারদের হাতে। ব্যাংক বা কার্ড থেকে পয়সা চুরি তখন কোনো ঘটনাই নয়। সূত্র : গেজেট স্নো

আরও পড়ুনঃ অনলাইন শপিং করছেন? সাবধান!

পোস্টি ভাল লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

three × four =